রুপাঙ্গনা
রুপাঙ্গনা, তোমার বহু মাত্রিক উপস্তিতি
আমাকে বিমোহিত করে;
বিমুখ রাখে— সমোদয় জগত থেকে;
বিনিদ্র রাখে রাত্রিভর— মাতাল সুরে;
নতুবা নিয়ে যায় মন ভুলায়ে শ্বাশত মহলে
আয়ু বাড়িয়ে— বয়ে আনে তাগড়া যৌবন
প্রানবন্ত স্পন্দন, অনন্ত জীবন।
তোমায় ঘিরে আমার যত অযাচিত ভাবনা
আমাকে প্রফুল্লিত করে— চিরায়ত আবেশে;
প্রমত্ত নিমিত্তে করে উন্মাদিত, কল্লোলে উল্লাসিত;
কিংবা ভাসায়ে নিয়ে যায়
আলোকিত আঁধারে— বসন্ত জোয়ারে।
তুমি এত কাছে যে— আমার দৃষ্টি অবলোহিত হয়
বিস্ফোরিত হয়ে ছাই হয়ে যায়;
তবুও তোমাকে দেখতে চাই।
তোমার অদৃষ্টপূর্ব দর্শন কিংবা দর্শনের তৃষ্ণা—
তোমাকে রূপায়িত করে আরও নিশ্চয়?
তুমি সু-সঙ্গায়িত কিন্তু অনির্ণেয়
তুমি বিস্তৃত বিস্ময়।
বেলা অবেলা কালবেলায়
নিশুতি আরাধনায়—
যখন তোমায় খুঁজি
ঘোর কেটে তখন; ভোর হলে—
আলো জ্বেলে দেখি— সে কেউ নয়, আমি
অতঃপর আমায় খুঁজে তুমি।
রুপাঙ্গনা, ভালোবেসো আমায়!
তোমার ভালোবাসা মানে আমি।
কবি: কচি
