কবিতার জন্য কবিতা
আলস্য আমাকে কবিতা লেখতে দেয় না;
কবিতা লেখতে দেয় না ব্যস্ততা, অবসাদ—
সামান্য অবকাশটুকু খেয়ে ফেলে ক্লান্তি৷
শিয়রে রবীন্দ্রনাথ, টেবিলে নজরুল—
দিনরাত শেলফে সুচয়নী, রূপসী বাংলা।
অপেক্ষার একফালি কাবুলি দুয়ার খুলে,
মিলন বিরহের অনভ্যস্ততাহেতু—
ভরসায় বুক বেঁধে বাড়িতেই থাকি,
গদ্যের শরীরে কাব্যিক অলঙ্কার পরে—
তবু ফিরে আসেনি প্রতিশ্রুত শবনম।
অনাদরে আকৃষ্ট হওয়া যার স্বভাব—
অবহেলা তাকে আর কতোটা স্পর্শ করে?
সামগ্রিক তাচ্ছিল্য আশির্বাদজ্ঞান করেই
সর্বজনবিস্মৃত অজানিতা মিথিলা—
তোমাকে নিয়ে এমন কবিতা লেখতে চাই,
যে কবিতা লেখার আনন্দে আমার—
স্বেচ্ছায় মরে যেতে দ্বিধা থাকবে না;
অথবা মৃত্যুর পরেও যে কবিতা—
আমাদের বাঁচিয়ে রাখবে হাজার বছর।
অকস্মাৎ সে কবিতা কেউ পাঠ করলে—
তৎক্ষণাতই আমরা জীবন্ত হয়ে উঠবো,
আমরা সে কবিতায় র’চে যাবো—
আমাদের কল্পনির্মিত অনন্ত বাসর;
এমন একটি কবিতা লেখবো বলেই
রোজ রোজ মৃত্যুকে ফাঁকি দিয়ে—
আমি আজো কবিতার জন্য বাঁচি।
২০১২২০১৭
প্রফেসর’স লজ

এমন একটি কবিতা লেখবো বলেই
রোজ রোজ মৃত্যুকে ফাঁকি দিয়ে—
আমি আজো কবিতার জন্য বাঁচি।